একবর্ষা কালি এনে দিবো তোমার কলমে
তুমি রচিবে একটি শ্রাবণসন্ধ্যা
শামিয়ানায় বোসে ঘড়ি আবিষ্কারের উপাখ্যান আঁকবে
বসন্তীরঙে সাজাবে তোমার নগ্নদেহ
হৃদ্যিতা যখন শীতের নির্মল-সিক্ত
দূর্বাঘাসের উপর দিয়ে হেটে যায় তখন তোমার
মহাকাব্যের ইতি হবে- অনুপম প্রেমের চিত্রকল্প
কখনও কখনও উন্নয়নকে সভ্যতাবিমুখ বলে গালি দেয়
ডাস্টবিনে যখন দ্যাখে নষ্ট মিলনের পবিত্রফল
ক্ষুধার্ত পেট পূর্ণিমা খায়
পৃথিবীর সবচে' বড় ছাদের নিচে যখন দ্যাখে অজস্র মানবের আবাসন
কবিতা তখন ফুটপাথ দিয়ে হাটে
খোরশেদ মুকুল
১৭-০৯-২০১৬ ইং
--------------------------------------------
আমার ছোটোবেলা
খর তাপদাহে তৃষাহৃদে দিলে বারিধারা
মাতাল ছোঁয়ায় পেলো সঞ্জীবনী শক্তি
রিনিঝিনি ছন্দে কচিধানের পাতা বেয়ে
নামে হিরেকণা- যেনো চিরঅমৃত
নারকোল গাছের একটা শাখা সদরদরজার
মাথা ধরে টিপটিপ কোরে প্রসাদ ফেলছে
আমি হারিয়ে গেলাম সে আহবানে
চলে গেলাম অভিসারে - উষ্ণ আলিঙ্গনে
দু'হৃদয়ের ঘর্ষণে রূপ নিলো প্রেমের বর্জ্যপাত
অসমের শ্রাবণে আমি মেঘ হতে চাই
তোমায় ঢেকে দিতে অত:পর প্রেমজলে ডুবাতে
আমি বৃষ্টি তুমি তৃষ্ণাতুর পৃথিবী
আশেপাশে বনফুল নেই, নেই কদম
কি দিয়ে তোমায় জানাবো অভিবাদন?
তুমি এসো - জাগানিয়া হয়ে
কৃষিকের বুকে প্রাণ হয়ে , কৃষাণির হিয়া
পুকুরে মলা মাছের মতো লাফায় কচিকাঁচা
উদ্দাম নৃত্য - উলঙ্গ স্নান - নির্মল হাসি
আমি খুঁজে পাই আমাকে- আমার ছোটোবেলা
খোরশেদ মুকুল
১২-০৯-২০১৬ ইং